আজ বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২০ইং

ড্রেসিংরুমে আফিফকে কড়া শাসনে রাখেন যিনি

ভোরের সিলেট ডেস্ক
তার মধ্যে সাকিব আল হাসানের ছায়া দেখেন অনেকে। যদিও সাকিবের মতো বাঁহাতি ব্যাটার হলেও বোলিংটা করেন ডানহাতে। অফ ব্রেক বোলার তিনি। তবে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই তার যে কার্যকারিতা, তাতে ভবিষ্যতে সাকিবের অভাব মেটাবেন আফিফ হোসেন ধ্রুব এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

সঙ্গে ফিল্ডার হিসেবেও তাকে অনেকেই রাখেন সেরার তালিকায়। ২০ বছর বয়সী সেই আফিফ শুনিয়েছেন জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর প্রথমবার স্বপ্নের ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ারের অভিজ্ঞতার গল্প।

জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে প্রথম দিন কি করছিলেন, কে বেশি আদর করেন বা কে সবচেয়ে বেশি শাসন করেন, সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদের ইউটিউব চ্যানেল ‘নটআউট নোমান’-এ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন আফিফ।

বিকেএসপিতে বেড়ে ওঠা আফিফের। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিবের মতো হওয়ার স্বপ্ন চোখেই এগিয়েছেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়ে অভিষেক হয় জাতীয় দলে।

তার অভিষেকটা অবশ্য ছিল ভুলে যাওয়া মতো। ব্যাট হাতে ০ রানে আউট হয়েছিলেন। যদিও বল হাতে ২ ওভার বল করে ২৬ রান খরচায় নেন ১ উইকেট। তবে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতে কেটে যায় দেড় বছরের বেশি সময়।

গত বছর সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ২৬ বলে ৫২ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে আফিফ প্রত্যাশার প্রতিদান দেন। আর ২০১৬ সালে বিপিএলে অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়ে তো বোলার হিসেবে নিজেকে চিনিয়ে রেখেছিলেন আগেই। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভুলে যাওয়ার মতো অভিষেক হলেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই ম্যাচের পর আফিফ এখন টি-টোয়েন্টি দলে নিয়মিত বলা যায়। ১২টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন এরই মধ্যে। সঙ্গে একটি ওয়ানডে।

সেই আফিফ জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে প্রথম দিনকার অভিজ্ঞতা বললেন এভাবে, ‘আমি যখন প্রথম গেছি ড্রেসিংরুমে, আমি সব সময় কোনায় বসে থাকতাম। এখনো এক কোনায় বসে থাকি। আমি ওই দিন (প্রথম দিন) শুধু সব অবজারভেশন করছিলাম, কে কী করে, কে কীভাবে রেডি হয়। কে কীভাবে প্রিপারেশন নেয়। এই জিনিসগুলো ফলো করছিলাম। এখনো কোনায় চুপ করে বসে থেকে দেখি।’

মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবালদের সঙ্গে জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম শেয়ার করতে পারাকে অনেক বড় পাওয়া মানেন আফিফ।

কিন্তু ড্রেসিংরুমে আফিফকে সবচেয়ে বেশি আদর করেন কে? আর বেশি শাসনই বা কে করেন? অনুষ্ঠানের স্লগ ওভার পর্বে এ রকম দুটি প্রশ্নের মুখোমুখি হন আফিফ।

তরুণ এই তারকার প্রথম প্রশ্নের উত্তর, ‘সবাই আদর করেন। (হেসে) আদর না করার মতো কিছু তো করিনি।’ আর দ্বিতীয় প্রশ্ন অর্থাৎ ‘কে বেশি শাসন করেন’- এর উত্তরে আফিফ বলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের নাম।

গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে যে ম্যাচটায় শেষ দিকে নেমে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন, সেই ম্যাচে মোসাদ্দেকের সঙ্গে তার দারুণ এক জুটিই ম্যাচ জিতিয়েছিল বাংলাদেশকে।

ভোরের সিলেট/দেশ রুপান্তর/টিএ