আজ বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২০ইং

কমলগঞ্জে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ

জয়নাল আবেদীন, কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের হাট বাজারে বেড়ে চলেছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। নতুন করে চালের দাম বাড়ায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষদের। ভানুগাছ ও শমশেরনগর বাজার ঘুরে ও ভোক্তাদের অভিযোগে এমন চিত্র দেখা যায়।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন জাতের চাল কেজি প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা হারে বাড়ছে। সাথে ভোজ্য তেল লিটার প্রতি বাড়ছে ৪ থেকে ৫টাকা। পেঁয়াজ ৪৫ টাকা থেকে বাড়ছে ৭৫ টাকা। ২ দিন আগেও পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে আসলেও ২৪ ঘন্টায় আবার প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকা দরে। দেশী রসুন দাম বেড়ে ৮০ টাকা থেকে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা দরে। কয়েকদিনের ব্যবধানে আলুর কেজি ২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩৮ টাকা হয়েছে। কাঁচামরিচের কেজি ২শ’ টাকা। একইভাবে সব ধরনের শাক সবজি কেজি প্রতি ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা লিয়াকত আলী, রহিম মিয়া, শুকুর আলী বলেন, যে আয় রোজগার তা দিয়ে কোনমতে চলাও দায়। তাছাড়া পেঁয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের সাথে চাউলের দাম বাড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়ছি। তারা আরও বলেন, করোনার প্রভাবে টাকার অভাবে এভাবে চলতে থাকলে দু’একবেলা অর্ধেক খাইয়া জীবন বাঁচাতে হবে।

শমশেরনগর বাজারের পাইকারী ও খুচরা চাল বিক্রেতা শাহীন আহমদ বলেন, পাইকারী বাজারে চালের দাম বস্তা প্রতি দু’ থেকে ৩’শ টাকা বেড়ে গেছে। ফলে খুচরা বাজারে কেজি প্রতি চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪টা করে। তিনি বলেন, দেশের বড় বড় চালের আড়তে ও মিলে দাম বেড়ে যাওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

একদিন আগেও ২৮ মিনিকেট চাল (সিদ্ধ) প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৬ টাকা দরে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। বাসমতি কাটারী (সিদ্ধ) দাম বেড়ে ৫২ টাকা থেকে ৫৫ টাকা, সুপার আতব ৪৬ টাকা থেকে ৪৮ টাকা, রত্না (সিদ্ধ) মোটা চাল ৩৭ টাকা থেকে ৪০ টাকা, ইরি ৩৮ টাকা থেকে ৪২ টাকা ও মিনিকেট আতব ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৪৭ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

মোদী দোকানী আব্দুল কাইয়ূম বলেন, ২ দিন আগে ভোজ্য তেল সোয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি করেছি ১শ’ টাকা করে। সেই তেল বিক্রি করতে হচ্ছে ১০৫ টাকা করে। দেশী রসুন ২ দিন আগে বিক্রি হয়েছে কেজি ৮০ টাকায় এখন সেই রসুন বিক্রি করতে হচ্ছে ১শ’ টাকা করে। কমলগঞ্জ উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র জানান, বাজার মনিটরিং করে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্র্তৃপক্ষের কাছে বাজার দর প্রেরণ করা হচ্ছে।

ভোরেরসিলেট/জেএ/বিএ