আজ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ইং

কমলগঞ্জে পোল্ট্রি খামারির দু’লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি! অসুস্থ হয়ে সাড়ে ৬ শতাধিক মোরগের মৃত্যু

জয়নাল আবেদীন, কমলগঞ্জ সংবাদদাতা: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষারে একটি পোল্ট্রি খামারে অসুস্থ হয়ে সাড়ে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন খামারি। টিলাগড় এলাকায় খামারে গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়ে গত কয়েকদিনে গড়ে দেড় কেজি ওজনের এসব মোরগের মৃত্যু হয়।

টিলাগড় গ্রামের পোল্ট্রি খামারের মালিক কাইয়ুম হোসেন জানান, দু’বছর ধরে নিজ বাড়িতে খামারি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত আড়াইমাস আগে খামারে এক হাজার সোনালী জাতের মোরগের বাচ্চা উত্তোলন করেন। বাচ্চাগুলোর লালন-পালন, ভ্যাকসিন ও ফিডসহ প্রয়োজনীয় খাবারও প্রদান করেন পার্শ্ববর্তী টিলাগাও বাজারের এক ডিলার। প্রতিটি বাচ্চা এক কেজি থেকে দেড় কেজি ওজনের হয়। ঠিক বিক্রির উপযুক্ত সময়ে রোগে আক্রান্ত হয়।

একজন ডিলারের মাধ্যমে এসব খাবার বিতরণ করায় যথাযথভাবে না হওয়ায় খামারে এ সমস্যা দেখা দেয়। প্রাণী চিকিৎসক ও ঔষধ কোম্পানীর চিকিৎসকদের মাধ্যমে জানতে পারেন মোরগের গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তিনি তাদের পরামর্শ মোতাবেক এসব বিষয়ে ঔষধপত্র খাওয়ানোর পরও রক্ষা করতে পারেননি। সুস্থ অবস্থায় সাড়ে ৩শ” মোরগ বিক্রি করতে পারলেও অবশিষ্ট সাড়ে ৬শ’ মোরগ খামারেই মারা যায়।

কাইয়ুম হোসেন বলেন, প্রায় ৭৫ দিন বয়স হওয়ার পর এতোসব মোরগ মারা যাওয়ায় প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। রোগাক্রান্ত মোরগের চিকিৎসায় স্থানীয় প্রাণী চিকিৎসকের দেয়া ঔষধ পত্রাদি ডিলারের আপত্তির কারনে খাওয়ানো যায়নি। ফলে ডিলারের গাফিলতি কারনে এ ক্ষতির স্বীকার হতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেদায়েত বলেন, উপজেলার সবগুলো খামারে তাদের দেখাশুনা রয়েছে। তবে টিলাগড় গ্রামের কাইয়ুম হোসেনের খামারে সাড়ে ৬শ’ মোরগ মারা যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না। খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।

ভোরেরসিলেট/জেএ/বিএ