আজ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ইং

শাপলাবাগে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান, বোমা উদ্ধার

ভোরের সিলেট ডেস্ক
গত রবিবার রাত থেকে পৃথক অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ৫ নব্য জেএমবির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর জালালাবাদ ও টিলাগড়ের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকার পৃথক ভাবে দুটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও জঙ্গি তৎপরতায় ব্যবহৃত কম্পিউটার উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে পৃৃথক অভিযান পরিচালনা এসব উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় জালালাবাদ আবাসিক এলাকার ৪৫/১০নং বাসার মুক্তিযোদ্ধা মইনুল আহমদের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় পুলিশ বাসা থেকে বোমা, বোমা তৈরির এবং কিছু কম্পিউটার সরঞ্জাম উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত কম্পিউটারে বোমা তৈরির বেশকিছু ভিডিও ছিল বলেও জানা যায়।

গত দুইদিনের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ৫ জঙ্গির মধ্যে আটক জঙ্গি নাইম ও সায়েমকে নিয়ে রাত সাড়ে নয়টায় নগরীর টিলাগড়ের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকার ৪০/এ ‘শাহ ভিলা’ নামের বাসায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা একটি কম্পিউটার সেন্টারের সন্ধান পায়।

‘শাহ ভিলা’র মালিক শাহ মো. শামদ আলী জানিয়েছেন, নাইম ও সায়েম তার বাসার চারতলার ফ্ল্যাটটি গত দুই মাস আগে কম্পিউটার সেন্টার বানানোর জন্য ভাড়া নিয়েছে। কিন্তু তারা সেখানে অবস্থান করেন না।

সর্বশেষ এই দুই স্থানে অভিযান শেষে গ্রেফতারকৃত ৫ জঙ্গিকে নিয়ে মঙ্গলবার রাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য যে, গত রবিবার (৯ আগস্ট) থেকে সিলেট নগরী এবং আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় জঙ্গি ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা নব্য জেএমবির পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)।

জানা গেছে, সিলেট নগরীর মিরাবাজার উদ্দীপন-৫১ নম্বর বাসা থেকে গেল রবিবার রাতে নাইমুজ্জামান নাইমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নব্য জেএমবির ‘সিলেট আঞ্চলিক কমান্ডার’ বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে। নাইমের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার ভোরে পৃথক দুটি অভিযানে গ্রেফতার করা হয় আরো চারজনকে। তন্মধ্যে জালালাবাদ আবাসিক এলাকা থেকে সানাউল ইসলাম সাদীকে গ্রেফতার করে সিটিটিসি। এছাড়া টুকেরবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। নাইম ও সাদী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তবে তারা কোন বিভাগের শিক্ষার্থী, তা জানা যায়নি। গ্রেফতারকৃত বাকি তিনজনের মধ্যে দুজন কলেজ শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

এই পাঁচ ‘জঙ্গি’ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।

এই পাঁচজনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সিলেট নগরীতে অভিযানে চালিয়েছে পুলিশ ও র‌্যাব।

গত রবিবার রাত থেকে পৃথক অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ৫ নব্য জেএমবির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর জালালাবাদ ও টিলাগড়ের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকার পৃথক ভাবে দুটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও জঙ্গি তৎপরতায় ব্যবহৃত কম্পিউটার উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে পৃৃথক অভিযান পরিচালনা এসব উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় জালালাবাদ আবাসিক এলাকার ৪৫/১০নং বাসার মুক্তিযোদ্ধা মইনুল আহমদের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় পুলিশ বাসা থেকে বোমা, বোমা তৈরির এবং কিছু কম্পিউটার সরঞ্জাম উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত কম্পিউটারে বোমা তৈরির বেশকিছু ভিডিও ছিল বলেও জানা যায়।

গত দুইদিনের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ৫ জঙ্গির মধ্যে আটক জঙ্গি নাইম ও সায়েমকে নিয়ে রাত সাড়ে নয়টায় নগরীর টিলাগড়ের শাপলাবাগ আবাসিক এলাকার ৪০/এ ‘শাহ ভিলা’ নামের বাসায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা একটি কম্পিউটার সেন্টারের সন্ধান পায়।

‘শাহ ভিলা’র মালিক শাহ মো. শামদ আলী জানিয়েছেন, নাইম ও সায়েম তার বাসার চারতলার ফ্ল্যাটটি গত দুই মাস আগে কম্পিউটার সেন্টার বানানোর জন্য ভাড়া নিয়েছে। কিন্তু তারা সেখানে অবস্থান করেন না।

সর্বশেষ এই দুই স্থানে অভিযান শেষে গ্রেফতারকৃত ৫ জঙ্গিকে নিয়ে মঙ্গলবার রাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে পুলিশ।

উল্লেখ্য যে, গত রবিবার (৯ আগস্ট) থেকে সিলেট নগরী এবং আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় জঙ্গি ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা নব্য জেএমবির পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)।

জানা গেছে, সিলেট নগরীর মিরাবাজার উদ্দীপন-৫১ নম্বর বাসা থেকে গেল রবিবার রাতে নাইমুজ্জামান নাইমকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নব্য জেএমবির ‘সিলেট আঞ্চলিক কমান্ডার’ বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে। নাইমের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার ভোরে পৃথক দুটি অভিযানে গ্রেফতার করা হয় আরো চারজনকে। তন্মধ্যে জালালাবাদ আবাসিক এলাকা থেকে সানাউল ইসলাম সাদীকে গ্রেফতার করে সিটিটিসি। এছাড়া টুকেরবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। নাইম ও সাদী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তবে তারা কোন বিভাগের শিক্ষার্থী, তা জানা যায়নি। গ্রেফতারকৃত বাকি তিনজনের মধ্যে দুজন কলেজ শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

এই পাঁচ ‘জঙ্গি’ সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে।

এই পাঁচজনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সিলেট নগরীতে অভিযানে চালিয়েছে পুলিশ ও র‌্যাব।

তথ্যসূত্রঃ সিলেট ভিউ।