আজ রবিবার, জুলাই ১২, ২০২০ইং

বড় হয়ে শিল্পী হতে চায় ছোট্ট আইরা

ভোরের সিলেট ডেস্কঃ পিয়ানো বাজছে, মেয়ে আইরার সঙ্গে গান করছেন বাবা তাহসান। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। বাবা-মেয়ের গানের সেই মিষ্টি ভিডিও শেয়ার করছেন অনেকেই। মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায় গানটির ‘ভিউ’। সবাই আইরার ভীষণ প্রশংসাও করছেন।

তাহসান জানালেন, গত পরশু যখন বৃষ্টি হচ্ছিল, তখন ঘরে পিয়ানো বাজাচ্ছিলেন তিনি। পাশেই খেলছিল আইরা। তাহসান বলেন, ‘হঠাৎ নাচতে নাচতে এসে সে বলল, বাবা, চলো আজকে আমরা গান লিখি। তুমি এক লাইন লিখবা আমি এক লাইন লিখব। আমরা লিখলাম।’ তবে গান নয়, বাপ-মেয়ের খুনসুটির স্মৃতি হিসেবে রেখে দিতেই ভিডিওটি করেছিলেন তাহসান। মেয়ের গাওয়া এত ভালো লেগে গেল যে মনে হলো সবার সঙ্গে সেটা শেয়ার করা যাক।’

সাত বছরের আইরা পড়ে স্কুলের গ্রেড ওয়ানে। বাবার কাছে পিয়ানো শেখে, মামার কাছে শেখে গিটার। বড় হয়ে শিল্পী হতে চায় ছোট্ট আইরা। এ নিয়ে বাবারও কোনো আপত্তি নেই। তাহসানের বিশ্বাস, মেয়ে তাঁর চেয়ে বেশি মেধাবী। তাহসান বলেন, ‘সে আমার চেয়ে বেশি ট্যালেন্টেড। আমি কারও গান শুনলে লিরিক মনে রাখতে পারি না। কিন্তু সে যেকোনো গান দু-তিনবার শুনলেই মনে রাখতে পারে। একা গাইতেও পারে, যেটা আমি নিজেই পারি না।’

প্রায়ই বাবার সঙ্গে দুই-এক লাইন করে গান করে সে। এমনকি বাসায় বাবা-মেয়ে মিলে গান চালিয়ে নাচও করে। তাহসান বলেন, ‘ছোট থেকেই সে গান ভালোবাসে। রেডিওতে গান শুনে বাবার গলা চিনে ফেলত। একটু বড় হলে উৎসুক হয়ে জানতে চাইত কী লিখছ। তাকে বুঝিয়ে বলতাম। তখন থেকেই আমার গান করা, লেখা, সুর করা দেখে সে শিখেছে।’

লকডাউনে দিনের বেশির ভাগ সময় মেয়ের সঙ্গে গান করেই কাটে তাহসানের। এর আগেও বাবা-মেয়ে মিলে গান বানিয়েছেন। এবার তাহসান জানালেন মেয়েকে নিয়ে নতুন পরিকল্পনার কথা। এ গানটি তিনি পুরোটাই মেয়েকে লিখতে বলবেন। শেষ হলেও গানটি দুজন মিলে গাইবেন। মেয়ের সঙ্গে এই ঘটনা প্রসঙ্গে তাহসান বলেন, ‘জীবনে অনেক প্রেশার, কিন্তু এই স্মৃতিগুলো থেকে যাবে। তাই গানটি লেখা শেষ হলেই রেকর্ডিং করব।’

 

ভোরেরসিলেট/প্রথমআলো/বিএ

সংবাদটি শেয়ার করুন: