আজ রবিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২০ইং

বিশ্বনাথে ধর্ষণ মামলার সাক্ষীকে হত্যার হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথে কিশোরী ধর্ষণ মামলার সাক্ষী ও তার ছেলেদেরকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগ এনে তিনজনের নামোল্লেখ করে গতকাল শনিবার (২১ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে থানায় সাধারণ ডায়েরী (নাম্বার ৯৮২) করেছেন ওই সাক্ষী উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের কান্দিগ্রাম গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী আকলুছ আলীর স্ত্রী জোসনা বেগম। অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের লালু মিয়ার স্ত্রী গেদুনী বেগম, মেয়ে রোশনা বেগম ও ভাতিজা তোতা মিয়া।

সাধারণ ডায়েরীতে জোসনা বেগম উল্লেখ করেন, লালু মিয়ার ছেলে ফয়সল আহমদের (২১) বিরুদ্ধে একই গ্রামের সবজি বিক্রেতার কিশোরী মেয়ের দায়ের করা ধর্ষণ মামলার সাক্ষী তিনি। যে কারণে ফয়সলের মা গেদুনী বেগম, বোন রোশনা বেগম ও চাচাতো ভাই তোতা মিয়া তার উপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত। এর জেরে গত ১৫ নভেম্বর ধর্ষণ মামলায় সাক্ষী দিলে তারা জোসনা বেগম ও তার সন্তানদেরকে হত্যার পর লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয়। হুমকি পাওয়ার পর থেকে তিনি তার সন্তানদেরকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন।

কথা হলে অভিযুক্ত রোশনা বেগম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বরং জোসনা বেগমই আমাদেরকে গালাগাল করেন এবং হুমকি দেন।

থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) শামীম মুসা বলেন, অভিযোগকারীকে আদালতে নিয়ে গিয়ে আদালতের অনুমতি আনার পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট রবিবার রাতে উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের কান্দিগ্রাম গ্রামের লালু মিয়ার ছেলে ফয়সল আহমদের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা (নং ২৪) দায়ের করেন একই গ্রামের এক সবজি বিক্রেতার কিশোরী মেয়ে। মামলার প্রেক্ষিতে ওই রাতেই ফয়সলকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। পরে তদন্ত কার্যক্রম শেষে গত ২২ অক্টোবর সিলেটের আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা, থানার সেকেন্ড অফিসার নুর হোসেন। ধর্ষণে অভিযুক্ত ফয়সল বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

ভোরেরসিলেট/কেএ/বিএ